Summary
এই লেখায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- পরিবাহী পদার্থ: এটি এমন পদার্থ যেখানে ইলেকট্রনসমূহ সহজে এক পরমাণু থেকে অন্য পরমাণুতে চলে যেতে পারে। উদাহরণ: রৌপ্য, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এবং গ্রাফাইট।
- অপরিবাহী পদার্থ: এই পদার্থে ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে না, তবে ঘষা দিলে আধানিত হতে পারে। উদাহরণ: প্লাস্টিক, গ্লাস এবং রাবার।
- অর্ধপরিবাহী পদার্থ: নিম্ন তাপমাত্রায় এটি অপরিবাহীর মত আচরণ করে, কিন্তু তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবাহীর মত আচরণ শুরু করে। উদাহরণ: সিলিকন, জার্মেনিয়াম, গ্যালিয়াম।
আমরা পরিবাহী ও অপরিবাহী শব্দ দুটির সাথে পরিচিত। পরিবাহী পদার্থের ইলেকট্রনসমূহ এক পরমাণু থেকে অন্য পরমাণুতে সহজেই চলাচল করতে পারে। যেমন ধাতু; বিশেষ করে রৌপ্য, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, ইত্যাদি। কার্বন অধাতু হলেও এর একটি রূপ গ্রাফাইট বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
অপরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে এর পরমাণুর ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে না। তবে অপরিবাহী পদার্থকে ঘষে আহিত করা যায়। এছাড়া যদি ইলেকট্রন গৃহীত বা বর্জিত হয়, তাহলেও অপরিবাহী পদার্থ আধানযুক্ত হয়। যেমন: প্লাস্টিক, গ্লাস ও রাবার।
নিম্ন তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহী পদার্থ অপরিবাহীর মতো আচরণ করে। তাপমাত্রা বাড়ালে এটি পরিবাহীর মতো আচরণ করে। সিলিকন, জার্মেনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ।
Read more